সোমবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং, ভোর ৫:৫৭
শিরোনাম :
বরিশালের নতুন পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্ আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী শক্তিশালী সিন্ডিকেট বিআইডব্লিউটিএ এখনো সক্রিয় বরিশালে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পাশে বিএনপি নেতা রহমাতুল্লাহ জাতীয় দৈনিক ‘অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এ স্টাফ করেসপন্ডেন্ট হিসেবে যোগ দিলেন আহমেদ বায়েজিদ মঠবাড়িয়ায় চোরের হামলায় অটো চালক জখম বরিশাল পেশাজীবী ফোরামের দিনব্যাপী কর্মী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত বাল্যবিবাহ বন্ধে অভিযান, অফিস ছেড়ে পালালেন কাজী আরাগচি-গালিবাফকে হত্যার ছক ইসরায়েলের, ইরানকে সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র জলবায়ুগত কারণে জুলাই-আগস্টে দেশে বন্যার শঙ্কা বরিশালে শুরু হচ্ছে সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ, কোর্স সম্পন্ন হলেই নিয়োগ

বরিশাল র‌্যাবের অভিযানে ঢাকায় জেএমবির দুই সদস্য গ্রেফতার

ডেক্সরিপোর্ট:রাজধানীর মিরপুর ও দোহার জয়পাড়া এলাকা থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির দুই সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে বরিশাল র‌্যাপিট এ্যকশন ব্যটেনিয়ন (র‌্যাব-৮)।

র‌্যাব-৮ এর পৃথক দল অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) রাতে তাদের গ্রেফতার করে।

গ্রেফতাররা হলেন- মো. আজিজুল হক ওরফে আজিজ (২৫) ও মুফতি আব্দুল হাকিম (৩৭)।

শুক্রবার (২৬ জুলাই) বিকেলে এক প্রেস বিজ্ঞতিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন বরিশাল র‌্যাব সদর দফতর।

জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেএমবির এই দুই সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়- তারা দু’জনই জেএমবির দাওয়াতি শাখার সক্রিয় সদস্য। বরিশাল ও ভোলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে উগ্রপন্থী কর্মকাণ্ডের জন্য সদস্য সংগৃহ করে থাকে।

আজিজ ছাত্র অবস্থায় আতিকুর রহমান বাবু ওরফে শাওন, নাজমুল, মাইনুদ্দিন ওরফে আলী হোসেন, আল আমিন ও হাসানদের মাধ্যমে উগ্রপন্থী কর্মকাণ্ডে উদ্ভুদ্ধ হয় এবং পরবর্তীতে উগ্রপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। আজিজ একাধিকবার কর্মী সংগ্রহের জন্য ঢাকা গমন করে এবং পরবর্তীতে দেশের বিভিন্ন স্থানে জেএমবির দাওয়াত শাখার সদস্য হিসেবে কর্মী সংগ্রহের কাজ করে আসছেন।

আজিজুল হক ওরফে আজিজ গ্রাফিক্স এবং আইটি বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং কাজের ছদ্ধবেশে দীর্ঘদিন উগ্রপন্থী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন।

অপর গ্রেফতার মুফতি আব্দুল হাকিম জিজ্ঞাসাবাদে জানান, তিনি জেএমবির সক্রিয় সদস্য। তিনি ২০০২ সালে কওমিয়া মাদরাসা, জাজিরা শরীয়তপুর, ২০০৩-২০০৭ সাল পর্যন্ত জামিয়াতুল সুন্নাহ, মাদারীপুরের শিবচরে লেখাপড়া করে। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে ঢাকায় এসে কওমী মাদরাসা ফরিদাবাদে লেখাপড়া করে।গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। এ ছাড়া তাদের বক্তব্যে সহযোগী হিসেবে যাদের নাম উঠে এসেছে তাদেরও আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।